চেনা ছবি বদলে যায়, সময়ের সাথে অণুঘটন ও বিশাল বিস্ফোরণ ঘটায়, চোখের জলে আজ রক্তের দাগ, সে রক্ত রঙহীন, স্বচ্ছ জলের মত, স্বপ্ন আশা ভেসে যায় তার সাথে, কপোল যেন আজ কপোতাক্ষ নদ, শুধু স্বাদটা নোনতা...
Posts
...সবুজ সেনা...
- Get link
- X
- Other Apps
কলমের নিবের ক্ষমতায়, হার মানে করাতের দাঁত। থমকে দাঁড়ায় ক্রেন, এক হাতুড়ির আঘাতে। গলার শিরা উপশিরা ছিঁড়ে রাস্তায় পোষ্টার ঝুলিয়ে হেঁটেছিল যাঁরা। ওঁরা আজ হাসতে পারছে, সবুজের নীচে প্রশান্তির প্রশ্বাস। কল-কাকলী মুখর ওদের ঘরে আজ নিশ্চিত ঘুম। সবুজবাগ আজ আবেগে আপ্লুত, বনগাঁর ছায়া সুনিবিড় প্রাকৃতিক শোভায় আজ হাসছে সবুজের সেনারা.... __________ ©বাসব চক্রবর্ত্তী
- Get link
- X
- Other Apps
_______________সমুদ্র স্নান____________ সবাই দলবেঁধে ছুটে আসে সমুদ্র দেখতে একটু স্নান করতে। সমুদ্রের সঙ্গে খেলা করতে। সৈকতের ধার দিয়ে হাঁটা, উপদ্রবহীন, আরো একটু কাছ থেকে দেখা। সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করতে বেশ লাগে। নিজেকে বীর মনে হয়। হাতে বিয়ারের ক্যান আর সিগারেটের ধোঁয়ায় নিজেকে মত্ত করে পাল্লা দিই সমুদ্রের উদ্দামতার সাথে স্টিয়ারিং কখন ঘুরে যায় কোন দিকে বোঝার উপায় থাকে না। উদ্দামতায় উন্মত্ততায় হার মানে সমুদ্র মৃত্যুকে আমন্ত্রণ... সমুদ্র হতে পারে উদ্দাম, তোমার উদ্দামতা এফোঁড়-ওফোঁড় করে দখিণা বাতাস। ভেঙেছ নিরন্তর স্তব্ধতাকে... সমুদ্র শক্তিশালী তবু অতটা ঘাতক নয়... © বাসব চক্রবর্ত্তী © ২২/০৮/২০১৬
- Get link
- X
- Other Apps
____________অভিমানী_____________ অনেক বলেছি অভিমানে, আর না। ছোট ছোট টুকরোতে বন্দী করেছ, আর কত? আর কত টুকরো করবে? মনে জমা অবসাদ ঝরে পড়েছে তোমার স্মৃতির আচমকা দোলাতে। উল্টানো আমিকে নিয়ে সব ফুটবল খেলছ সমসাময়িকতার সাথে মিল টানা, কিছুটা অতিরিক্ত সরলীকরণ। ফলে ছন্দপতন ঘটে যায় মুহূর্তে। আমি আজ আমার ঠিকানাতেই চিঠি লিখি আকাশের ঠিকানাটা জানা নেই যে। পোষ্ট বক্সে নষ্ট হবার চেয়ে আমার কাছে ফিরে আসুক। আমাকে তো আগেই ভুলেছ, এবার আমার পালা লাস্ট ট্রেনে ফিরতে দৌড়েছিলাম... মচকানো পা নিয়ে এখনো খুঁড়িয়ে চলি, তার থেকে নিস্তার নেই নিস্তার নেই স্মৃতির ছোবল থেকে। ভুলতে চাইছি, এমন মোহ আগেও কাটিয়েছি ভুলে যাবো ঠিকই ভুলে যাবো... একটা প্রশ্নঃ আরো কত ছোট করে নেবো নিজেদের? © বাসব চক্রবর্ত্তী © ২৫/০৮/২০১৬
- Get link
- X
- Other Apps
রাত পোহালেই একুশে চোখের কোণে দু-ফোঁটা জল সালাম-বরকতদের সেলাম। ভাষার জন্য রাস্তা ভেসেছিল সেদিন, তাঁদের তাজা বুকের রক্তে। লুটিয়ে পড়েছিল রাজপথে। ভাষার জন্য আজ আমাদের লজ্জা হয় ভাষা আজ খিস্তি আর খেউর সমৃদ্ধ। লজ্জা হয়, শুনে দেখে লজ্জা হয়... কোথায় রফিক, কোথায় জব্বার স্মৃতি হাতড়েও হয়তো খুঁজে পাবো না, জাতীয় মাতৃ ভাষা দিবসে দু ফোটা আলতা ছিটিয়ে, গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে আর “আমার ভায়ের রক্ত রাঙানো” লাউডস্পীকারে বাজালেই সম্মান জানানো হয় কি? কই তেমন টা আমি শুনিনি, আর জানিও না। মহা সঙ্কটে আজ আমাদের বাংলা ভাষা, হিন্দী আর ইংলিশের দৌলতে, ভুলতে বসেছে, নিজের মাতৃভাষাকে বাঙালী। আমরা অনুকরণপ্রিয়, সে আদিকাল থেকেই তাই বলে নিজের ঐতিহ্য, নিজের সংস্কৃতিকেই দুমড়ে মুচড়ে ফেলতে হবে? কি জানি? তবে শফিউরদের সেদিনের আত্মবলিদান কাদের জন্য ছিল্? বলতে পারবে কি? আজ একজনকে টানা পাঁচ মিনিট বাংলা শব্দে কথা বলতে বললেই হোঁচট খাবে। স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ ভুলতে বসেছে, ইংলিশ এ্যালফাবেট সেদিকে ঝড়ের গতিতে। অমর একুশে আজ কি সত্যিই অমর??? কিচ্ছু বলার নেই আর, যা ক্ষোভ উগরে দিলাম। বাদ বাকী তোমাদের ভাববার...
- Get link
- X
- Other Apps
তোকে না আগেই বলেছি, তুই সামনে এলে হৃৎপিন্ডের ধুকপুকুনিটা হাজার গুণ বেড়ে যায়। ছুটে বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়। তোর সাথে প্রতিবারই মনে হয়, প্রথম দেখা। আমার মনে প্রাণে এক হিন্দোল কেন তুলিস বলতো? রাস্তার এক পাশে বাইকটা রেখে আলতো হাসির জোয়ার আনা তোর আমার স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে বুঝি। শত লজ্জা হাজার ভয়ে ভীত তুই। তবু দেখা না করলেই নয়। সাইকেল ধরে তোর দাঁড়ানো আর বিকালের স্বর্ণালী রোদ তোর চোখে মুখে। যেন রঙীন প্রজাপতি। দেখ তুই না মন ভালো করা এক দাওয়াই। সে তুই যা-ই বল না কেন! তোর সাথে একবারের ঐ মিনিট পাঁচের দেখাতেই মনে প্রাণে এক অন্য আবেশ আনে। সেটা তুই মানিস বা না-ই মানিস। তোর সাথে ছায়ার মত লেগে থাকা আর নিরাপদে এগিয়ে চলার জন্য জোঁক হতেও রাজি। বিশ্বাস কর তোর জীবনের চলার পথে গোলাপ পাঁপড়িতে ভরিয়ে দেব। কন্টকহীন পথে তোর কোমল পা রাখিস। রাখবি তো?